fingerprint; ফিঙ্গারপ্রিন্ট কি ভাবে কে কেন আবিষ্কার করলো

Fingerprint; মানুষের এই একটি আঙুলের ভাঁজে রয়েছে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিদর্শন এটিকে এক কথাই ডাটা ব্যাঙ্ক বলা হয়। দরকারি কাগজ পাত্রে যারা সই করতে পারে না তাদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধা আঙুলের ছাপ দিতে হয় সইয়ের বদলে ।একজনের আঙুলের চাপ অপরজনের চাপের কোনরকম সদৃশ দেখা যায় না। আঙ্গুলের চাপ প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রে বিভিন্নতার জন্যই, তাই সব জায়গাতে সইয়ের পরিবর্তে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যাবহার দেখা যায়। কারন যেকোনো ভাবে মানুষের সই নকল করা যায় । কিন্তু আঙ্গুলের চাপ কখনই নকল করা যাবে না।এই আঙ্গুলের ছাপের বৈসদৃশ দেখা যাবেই।

আবার অপরাধী শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট(fingerprint) ব্যাবহার দেখা যায়। তবে আমরা কেউ জানি না এই ফিঙ্গারপ্রিন্টের আবিষ্কার সম্পর্কে।

ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যাবহার 

বর্তমানে আমরা প্রত্যেকেই  ফিঙ্গারপ্রিন্ট আন্ড্রয়েড   ব্যাবহার করে আসছি।

বর্তমানে প্রায় অধিকাংশ গেটের তালা, অফিস ও আদালতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের অর্থাৎ আঙুলের চাপেই খুলে যাই গেটের তালা।

প্রতিদিন অফিসে ঢুকতে বা বেরোনার সময় দুবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন চাপতে হয়।

বর্তমানে সিম কার্ড কেনার সময় বায়ো মেট্রিক পদ্ধতিতে বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যাবহার করা হয়।

আবার অপরাধী শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যাবহার দেখা যায়। 

যে কোনো ব্যাঙ্কে টাকা লেনদেন করার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যাবহার করা হয়। 

ফিঙ্গারপ্রিন্টের আবিষ্কার

ফিঙ্গারপ্রিন্টার(fingerprint) এই  আবিষ্কার হয় ১৬৮৪ সালে ব্রিটিশ উদ্ভিদ  বিজ্ঞানী অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এই আঙুলের চাপের রহস্য রহস্য অনুধাবন করেন।পরবর্তী কালে ১৮০০ সালে বিজ্ঞানীদের পুনরায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পর্কের জোড়ালো ভাবে দৃষ্টি আকর্ষিত করে। ১৮৭৫ সালে জিমসন নামক এক ব্রিটিশ বিজ্ঞানী বলেন আঙুলের চাপ একটি অসাধারণ বিষয় আর রেখার ধারণ একটির চেয়ে একেবাড়ে ভিন্ন।বাংলাদেশের বিজ্ঞানী কাজু কাজী আজিজুল হক ফিঙ্গারপ্রিন্টের রহস্য উদ্ঘাটন করে বলে তথ্য রয়েছে।তাঁর  এই ফিঙ্গারপ্রিন্টের রহস্য এড ওয়ার্ড হেনরি চুরি করেছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাই।

মানবদেহে প্রথম তিন মাসরে মধ্যে পূর্ণ হয়।আঙুলের মাথার চাপ দিয়ে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব।বিজ্ঞানের আর একটি যুগান্তকারী  আবিষ্কার হলো ডিএনএ ।এটি আবিষ্কারের পর মানুষের সৃষ্টির সরল ব্যাখ্যাগুলি বাতিল হয়ে গেছে ।ডিএনএ কোডের সাহায্যে মানুষের চুল থেকে শুরু করে পায়ের নখ পর্যন্ত সবকিছু তথ্য কিছু জানা সম্ভব হয়েছে। আর আঙুলের আগার একটি ডিএনএ কোড চাপা হলে হাজার হাজার পৃষ্ঠার তথ্য বেরিয়ে আসবে।

error: Content is protected !!