dharna; ধরনায় ১৫-র প্রমিকের ২৫ বছরের স্ত্রী

dharna; আর এক প্রেমিকাকে ধর্নায় বসতে দেখা গেলো প্রেমিকের বাড়ির সামনে । তবে ধর্নায় বসতে দেখা যাওয়ার ঘটনা প্রথমবার নয়। আর আগে অনেক প্রেমিকও প্রেমিকাকে সম্পর্কের দাবিতে ধর্নায় বসেছে। অনেক যুবক যুবতি প্রেম করার পর সম্পর্ক অস্বীকারের দাবিতে ধর্নায় বসতে দেখা গিয়েছে। তবে তাঁরা সবাই ছিল প্রাপ্তবয়স্ক।তবে এবারের সম্পুর্ন বিপরীত ঘটনাটা ঘটতে দেখা যায়। 

যেখানে প্রেমিক নাবালক এবং স্ত্রী বয়স ২৫ বছরের বেশি। তবে এরকম রাজ্য এই প্রথম ঘটতে দেখা গেলো। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক তো হয়েছেই। এমনকি তাঁরা বিয়ে পর্যন্ত করেছে এমনটাই দাবি প্রেমিকার।তাকে মেনে নেওয়ার দাবিতে প্রেমিকাকে ধর্নায় বসতে দেখা যায় নাবালক প্রেমিকের বাড়ির সামনে।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা টি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর এক নং ব্লকে বুরুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় । গিথিনপুকুর গ্রামে বাড়ি ওই যুবতীর  বয়স ছিল ২৫ বছর। ছেলেটি ১৫ বছরের নাবালক ছিল যুবতীর পাশের গ্রামে বাড়ি ছিল। তাদের রং নাম্বারে ফোন মাধ্যমে তাদের প্রেম শুরু হয় ।

দীর্ঘ এক বছর ছুটিয়ে প্রেম করে তাঁরা একাধিক বার সহবাস করেছিল বলে জানা গিয়েছে । তারপর তাঁরা গোপনে বিয়ে করে। তাঁরা ফোনের মাধ্যমে তাদের প্রেম হয়। অল্প কিছুদিনের মধ্যে তাদের প্রেম ঘনিষ্ঠ হয়ে যায়।  তাদের দুজুনের বয়সের ফারাক থাকলেও ওই যুবুতি প্রেম চালিয়ে যায়।

ওই যুবুতির দাবি, তাঁরা গোপনে তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মতো করে তাকে যখন খুশি ব্যাবহার করেছে। তাদের দুজুনের একসঙ্গে ছবিও রয়েছে । এখন আর সম্পর্ক রাখতে চায় না। তাদের পরিবারের লকেরা তাকে পুত্রবুধ হিসাবে মানতে চাইছে না ।

তাঁর বাড়িতে গেলে , তাঁর মা ও নানি তাকে ধ্যাক্কা মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয় । যদিও প্রেমিকের মা জানান, তাঁর ছেলে মাজি রুল এখন নাবালক তাঁর সঙ্গে ওই যুবুতির কোনো সম্পর্ক নেয় । যদি তাদের বিয়ে হয়ে থাকে তাহলে কেনো প্রমাণ দেখাতে পারছে না কেন?

ছেলেটির মায়ের পাল্টা দাবি, মাস দুয়েক আগে তাকে অপহরন করে মেয়েটি তাঁর বাড়িতে আটকে রেখেছিল পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করেছিল। মেয়েটি তাঁর বাড়ির সামনে ধর্নায় বসে তাকে মেনে নেওয়ার দাবিতে। এমনিকি বিষ খেয়ে মরে যাওয়ার কথা বলে। প্রত্যুতরে তাঁর মা বলে , ওদের যে বিয়ে হয়েছে তাঁর প্রমান দেখানোর কথা বলে।

error: Content is protected !!